উচিত। ২৫°C তাপমাত্রার নিচে মধু সংরক্ষণ করলে তা দীর্ঘ সময় পর্যন্ত সতেজ থাকে। মধু খুব উচ্চ তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করলে এর পুষ্টিগুণ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই একে গরম বা আর্দ্র পরিবেশ থেকে দূরে রাখা জরুরি।
২. এয়ারটাইট পাত্র ব্যবহার: মধু সংরক্ষণের জন্য এয়ারটাইট (হাওয়াবিহীন) পাত্র ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো। এটি মধুকে বাইরে থেকে বাতাস ও আর্দ্রতা থেকে রক্ষা করে, যা মধুর মান এবং গুণমান বজায় রাখতে সাহায্য করে। কাঁচের জার বা প্লাস্টিকের পাত্রে মধু সংরক্ষণ করা সবচেয়ে উপযোগী।
৩. সূর্যের সরাসরি আলো থেকে দূরে রাখা: মধু কখনোই সরাসরি সূর্যের আলোতে রাখা উচিত নয়। এটি মধুর স্বাদ এবং গুণাগুণ কমিয়ে দেয়। মধু dark হওয়া বা ক্রিস্টালাইজেশন (জমে যাওয়া) হতে পারে যদি তা অতিরিক্ত তাপে বা আলোতে রাখা হয়। তাই মধু রাখার স্থানে আলো আসা উচিত নয়।
৪. বাড়তি আর্দ্রতা থেকে রক্ষা: মধু সংরক্ষণ করার সময় অবশ্যই আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখতে হবে। আর্দ্রতা থাকলে মধুতে ফলিক এসিড এবং অন্যান্য মাইক্রোবিক জীবাণু বৃদ্ধি পেতে পারে। এটি মধুর গুণগত মানকে নষ্ট করতে পারে। তাই শুষ্ক পরিবেশে মধু রাখা উচিত।
৫. ফ্রিজে না রাখা: যেহেতু মধু প্রাকৃতিকভাবে সংরক্ষিত থাকে, তাই এটি ফ্রিজে রাখার প্রয়োজন নেই। ফ্রিজে রাখলে মধু জমে যেতে পারে, এবং এর গুণগত মানে পরিবর্তন আসতে পারে। মধুর যে ক্রিস্টালাইজেশন প্রক্রিয়া হয় তা ঠান্ডা তাপমাত্রায় আরও ত্বরান্বিত হয়, যা মধুর গা dark হওয়া বা জমে যাওয়া অবস্থা সৃষ্টি করে।





